Wq/bn/স্বামী বিবেকানন্দ

From Wikimedia Incubator
< Wq‎ | bnWq > bn > স্বামী বিবেকানন্দ
স্বামী বিবেকানন্দ

স্বামী বিবেকানন্দ (ইংরেজি Swami Vivekananda; জানুয়ারি ১২, ১৮৬৩ - জুলাই ৪, ১৯০২) তিনি ছিলেন একজন হিন্দু সন্ন্যাসী, দার্শনিক, লেখক, সংগীতজ্ঞ এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর ভারতীয় অতীন্দ্রিয়বাদী রামকৃষ্ণ পরমহংসের প্রধান শিষ্য।

উক্তি[edit | edit source]

  • যাতে চরিত্র তৈরী হয়, মনের শক্তি বাড়ে, বুদ্ধির বিকাশ হয়, নিজের পায়ে নিজে দাঁড়াতে পারে, এই রকম শিক্ষা চাই।
  • মানুষের মধ্যে যে দেবত্ব প্রথম থেকেই আছে, তার বিকাশই ধর্ম।
  • টাকায় কিছু হয় না, নামেও না, যশেও না, বিদ্যায়ও হয় না, ভালবাসায় সব হয়—চরিত্রই বাধাবিঘ্নরূপ বজ্রদৃঢ় প্রাচীরের মধ্য দিয়া পথ করিয়া লইতে পারে।
  • যারা অপরের নিঃশ্বাসে অপবিত্র হয়ে যায়, তারা আবার অপরকে কি পবিত্র করবে? ছুৎমার্গ এক প্রকার মানসিক ব্যাধি, সাবধান! সব প্রকার বিস্তারই জীবন, সব প্রকার সঙ্কীর্ণতাই মৃত্যু।
  • কখনও বড় পরিকল্পনার হিসাব করবেন না, ধীরে ধীরে আগে শুরু করুন, আপনার ভূমি নির্মাণ করুন তারপর ধীরে ধীরে এটিকে  প্রসার করুন।
  • যখন আপনি ব্যস্ত থাকেন তখন সব কিছুই সহজ বলে মনে হয় কিন্তু অলস হলে কোনো কিছুই সহজ বলে মনে হয়না।
  • নিজের প্রতি সত্‍ থাকা, নিজের ওপর বিশ্বাস রাখাই সবচেয়ে মহান ধর্ম।
  • অন্য কারোর জন্য অপেক্ষা করো না, তুমি যা করতে পারো সেটা করো কিন্তু অন্যের উপর আশা করো না।
  • দুনিয়া আপনার সম্বন্ধে কি ভাবছে সেটা তাদের ভাবতে দিন| আপনি আপনার লক্ষ্যগুলিতে দৃঢ় থাকুন, দুনিয়া আপনার একদিন পায়ের সম্মুখে হবে।
  • মানুষের জন্ম প্রকৃতি কে জয় করিবার জন্যই, তাহাতে অনুসরণ করার জন্য নয়।
  • তুমি যখন নিজের দেহ মাত্র বলিয়া ভাবো, তখন তুমি বিশ্বজগৎ হইতে বিচ্ছিন্ন; নিজেকে যখন জীব বলিয়া ভাবো, তখন তুমি সেই শাশ্বত মহান্ জাতির একটি কণিকামাত্র; আর যখন নিজের আত্মা বলিয়া ভাবো, তখন তুমিই সব কিছু।
  • ইচ্ছাশক্তি স্বাধীন নয়—ইহা কার্যকারণের গণ্ডিরই মধ্যস্থ ব্যাপার-বিশেষ; কিন্তু এই ইচ্ছাশক্তির পিছনে এমন কিছু আছে যাহা স্বাধীন।
  • সততা এবং পবিত্রতাই শক্তির আকর।
  • বিশ্বজগৎ ঈশ্বরেরই বহিঃপ্রকাশ।
  • নিজের উপর বিশ্বাস না আসিলে ঈশ্বরে বিশ্বাস আসে না।
  • ‘আমরা দেহ’—এই ভ্রমই সকল অমঙ্গলের মূল। আদি পাপ বলিয়া যদি কিছু খাকে, ইহাই সেই পাপ।
  • একদল বলেন, চিন্তা—জড় হইতে উৎপন্ন; আবার অপর দলের মতে চিন্তা হইতে জড়-জগতের উৎপত্তি। এই দুইটি মতবাদই ভুল। জড়বস্তু এবং চিন্তা পরস্পর-সহগামী। তৃতীয় এমন একটি বস্তু আছে, যাহা হইতে জড় এবং চিন্তা দুই-ই উদ্ভূত।
  • আকাশের ভিত্তিতে যেমন সমস্ত জড়কণা একত্র হয়, তেমনি কালের ভিত্তিতে সমস্ত চিন্তাতরঙ্গ মিলিত হয়। সকল জড় পদার্থ যেমন আকাশে (দেশে ) সীমাবদ্ধ, সকল চিন্তাও তেমনি কালে সীমাবদ্ধ।
  • ঈশ্বরের সংজ্ঞা নির্ণয় করিতে যাওয়া মানে পিষ্টপেষণ করা, কারণ তিনিই একমাত্র সত্তা—যাহাকে আমরা জানি।

বহিঃসংযোগ[edit | edit source]

Wikipedia-logo-v2.svg
উইকিপিডিয়াতে এ সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে:
উইকিসংকলন
উইকিসংকলনে এই লেখক রচিত অথবা লেখক সম্পর্কিত রচনা রয়েছে:
commons
উইকিমিডিয়া কমন্সে এই সম্পর্কিত মিডিয়া রয়েছে: