Wn/bn/রাশিয়া ও ইউক্রেন ২০২২ সালের পর প্রথম শান্তি আলোচনা করে, বন্দী বিনিময়ে সম্মত
শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

১৭ মে, শুক্রবার, রাশিয়া ও ইউক্রেন ২০২২ সালের মার্চের পর প্রথমবারের মতো সরাসরি শান্তি আলোচনায় অংশ নেয়। এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় তুরস্কের ইস্তানবুলে। আলোচনাটি দুই ঘণ্টারও কম সময় স্থায়ী হয় এবং যুদ্ধবিরতি নিয়ে কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়। তবে উভয় পক্ষ এক হাজার করে যুদ্ধবন্দী বিনিময়ে সম্মত হয়েছে, যা এই সংঘাত শুরুর পর সবচেয়ে বড় বন্দী বিনিময় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিবিসির তথ্যমতে, আলোচনার পেছনে তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বৈঠকে ইউক্রেন একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়, যাতে পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোও সমর্থন জানায়। তবে ইউক্রেন জানায়, রাশিয়া "নতুন ও অগ্রহণযোগ্য" দাবি তোলে, যার মধ্যে ইউক্রেনের নিজস্ব ভূখণ্ড থেকে সেনা প্রত্যাহারের শর্তও ছিল। ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, যুদ্ধবিরতি না হলে গঠনমূলক আলোচনা সম্ভব নয়। যদিও বৈঠকে কোনো চুক্তি হয়নি তবে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
উৎস
[edit | edit source]- "Ukraine and Russia far apart in direct talks, but prisoner swap agreed" — বিবিসি, ১৭ মে, ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ: ১৭ মে, ২০২৫। (ইংরেজি)
- "Russia-Ukraine peace talks end after less than 2 hours with deal to swap POWs but no ceasefire" — এপি নিউজ, ১৭ মে, ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ: ১৭ মে, ২০২৫। (ইংরেজি)
- "Istanbul peace talks laid bare chasm between Ukraine and Russia" — রয়টার্স, ১৭ মে, ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ: ১৮ মে, ২০২৫। (ইংরেজি)
