Jump to content

Wn/bn/'ধূসর অঞ্চল' যুদ্ধের বিষয়ে সতর্ক করলেন যুক্তরাজ্যের এমআই৬ প্রধান ব্লেইস মেট্রেভেলি

From Wikimedia Incubator
< Wn | bn
Wn > bn > 'ধূসর অঞ্চল' যুদ্ধের বিষয়ে সতর্ক করলেন যুক্তরাজ্যের এমআই৬ প্রধান ব্লেইস মেট্রেভেলি

Thursday, 17 December 2026

গত সোমবার, যুক্তরাজ্যের সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (এমআই৬)-এর নবনিযুক্ত প্রধান ব্লেইস মেট্রিওয়েলি লন্ডনে তাঁর প্রথম প্রকাশ্য অভিভাষণ প্রদান করেন। রাশিয়ার সাথে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তিনি সতর্কবাণী উচ্চারণ করে বলেন যে, যুক্তরাজ্য বর্তমানে "শান্তি ও যুদ্ধের মধ্যবর্তী এক অন্তর্বর্তী স্থানে অবস্থান করছে"।

মেট্রিওয়েলি উল্লেখ করেন যে, জাতির প্রতি হুমকির ক্ষেত্রে "রণাঙ্গন আজ সর্বত্র বিস্তৃত"। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি রাশিয়ার পক্ষ থেকে আসা এই হুমকিকে "আগ্রাসী" হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি মস্কোর বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করে বলেন যে, তারা "দমন-পীড়ন, ভীতি প্রদর্শন এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টির" উদ্দেশ্যে "রাষ্ট্র-সমর্থিত অগ্নিসংযোগ ও অন্তর্ঘাতমূলক কার্যকলাপ" থেকে শুরু করে "বিমানবন্দর ও সামরিক ঘাঁটির চারপাশে ড্রোনের আনাগোনা" পর্যন্ত বিবিধ কৌশল অবলম্বন করছে।

গোয়েন্দা প্রধান ইউক্রেনে চলমান সংঘাত নিয়েও আলোকপাত করেন। দ্য টেলিগ্রাফ-এর প্রতিবেদন অনুসারে, মেট্রিওয়েলি মন্তব্য করেছেন যে, রুশ রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন "ইচ্ছাকৃতভাবে আলোচনা দীর্ঘায়িত করছেন"। তিনি আরও যোগ করেন যে, ক্রেমলিন প্রকৃত শান্তির প্রচেষ্টায় নিগ্ন না হয়ে বরং "ইউক্রেনকে পদনত করার" অভিপ্রায় পোষণ করে। বিবিসি উল্লেখ করেছে যে, এই বক্তৃতায় "রাশিয়ার দ্বারা সৃষ্ট বহুমাত্রিক হুমকির" বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে।

মেট্রিওয়েলি বলেন যে, গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের চিরাচরিত গুপ্তচরবৃত্তি কৌশলের সাথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান দক্ষতাকে সমন্বিত করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই প্রযুক্তিগত আধিপত্য "আমাদের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে সঞ্চালিত হবে"।

রয়টার্স-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পশ্চিমা দেশগুলোতে ড্রোন কার্যক্রম বা সাইবার হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ মস্কো প্রায়শই খণ্ডন করে থাকে এবং একইভাবে ন্যাটোর উপর আক্রমণের পরিকল্পনার ধারণাও তারা প্রত্যাখ্যান করে। রয়টার্স আরও জানিয়েছে যে, ২০২২ সালে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর থেকে ন্যাটো ভুক্ত দেশগুলো ইউক্রেনকে সামরিক ও গোয়েন্দা সহায়তা প্রদান করে আসছে।


সূত্র

[edit | edit source]